সর্বশেষ:
এরশাদের আসনে ভোটে যেতে জাপা’য় নজর বিএনপির? ‘গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ সভাপতি হলে কংগ্রেস ভেঙে যাবে’ : নটবর সিং ইসরায়েলে ৯০০০ বছর আগের ‘রহস্যময়’ শহরের সন্ধান ব্লগার নয়, নতুন নায়িকার সঙ্গে প্রেম শাহরুখপুত্রের! সারা দেশে ত্রাণের জন্য বানভাসি মানুষের আহাজারি : রিজভী

শরীয়তপুর পৌরসভা হবে আধুনিক বাসযোগ্য

A+A- No icon

পৌরসভা মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শরীয়তপুর পৌরসভাকে মানুষের বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা হবে। শরীয়তপুর পৌরসভা হবে আধুনিক বাসযোগ্য একটি পৌরসভা। মো. রফিকুল ইসলাম তার সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি তার শৈশব কাটান শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের সুজন দোয়াল ঐতিহ্যবাহী কোতয়াল বাড়িতে, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তিনি এস.এস.সি পাস করেন ১৯৮৫ সালে পালং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবং এইচ.এস.সি পাস করেন ১৯৮৭ সালে শরীয়তপুর সরকারী কলেজ থেকে। তিনি স্নাতকত্তোর শেষ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

 

তিনি আরও জানান, তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতেতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য, পরে দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও শরীয়তপুর সদর পৌসভার মেয়র।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়েছেন এবং দলের নেতাকর্মীসহ পৌরসভার সকল মানুষ আমাকে সমর্থন এবং ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় সবার প্রতি  আমার কৃতজ্ঞতা। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর সহযোগিতায় একযোগ হয়ে কাজ করবেন।

 

নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে রফিকুল ইসলাম বলেন, শরীয়তপুর পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে সার্বিক উন্নয়নে কাজ শুরু করি। আমার দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ৮০ শতাংশের মধ্যে অনেকাংশ সম্পূর্ন হয়েছে, বাকিটা চলমান আছে।  তিনি বলেন, শরীয়তপুর পৌসভার উন্নয়ন চলমান রাখতে সরকারের আরো কিছু প্রকল্প প্রয়োজন। তার ভাবনার ব্যতিক্রমের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন সেমিনার ও ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে সেলাই প্রশিক্ষন দিয়ে বেকার, বিধবা, দুস্থ-অসহায় নারীদের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য সেলাই মেশিন, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করেছি।

 

এছাড়াও বেকার যুবকদের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য মৎস্য ও গবাদী পশুর খামার বিষয়ে প্রশিক্ষন দিয়েছি। এছারও টেন্ডারবাজী বন্ধ করার জন্য অনলাইনে টেন্ডার ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছি। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং বাল্যবিবাহ বন্ধের জন্য যুবকদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সেমিনার এর আয়োজন করেছি। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য টাউন লেভেল কমিটি, ওর্য়াড লেভেল কমিটি গঠন করেছি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন. পৌরসভার মধ্যে থাকা খাস জমিগুলো পৌরসভাকে দিলে বিভিন্ন স্থাপনা করা যেত। আমাদের শরীয়তপুর পৌরসভায় কোন বিনোদনের ব্যবস্থা নেই সেক্ষেত্রে যদি সরকার আমাদের কোন ফান্ড দেয় আমরা পৌরবাসীর জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করতে পারবো।

 

রফিকুল ইসলাম উন্নয়নের ব্যাপারে বলেন, ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শান্তি নগর এবং নিরালা এলাকায় ড্রেনের কাজ চলছে। পরিস্কার পরিছন্ন রাখার জন্য পাঁচটি ট্রাক আছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়, ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫হাজার রোড লাইট দেওয়া হয়েছে। পৌসভার অনেকাংশ রোডের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, বাকী কাজ চলমান আছে। তবে ড্রেনের কাজ করার জন্য আরো প্রকল্প প্রয়োজন।   

 

সর্বশেষে রফিকুল ইসলাম বলেন, শরীয়তপুর পৌরসভার সকল মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছে। আমার দলের প্রত্যেক নেতা-কর্মীসহ সবাই আমাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখে, আমি একজন সেবক হয়ে তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করবো। আমি পৌরবাসীকে সকল সুযোগ সুবিদা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আমার পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মডেল ও শরীয়তপুর পৌরসভাকে একটি বাসযোগ্য আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো।

Comment As:

Comment (0)