ফিরতি ঈদযাত্রা হবে অনেকটা স্বস্তিদায়ক : ওবায়দুল কাদের

A+ A- No icon

ফিরতি ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষের মূল উৎপাটন করা হবে বলে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র্র আমাদের সকলের কামনা। এটাই হোক আমাদের প্রার্থনা।


ওবায়দুল কাদের বলেন, মাঝখানে নদীতে তীব্র স্রোত এবং ভারি বর্ষণের জন্য চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে, সড়কে পশুবাহী গাড়ির জন্যও কোথাও কোথাও সমস্যা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিহসহ সব রুটে ভালো ছিল। শুধুমাত্র একটি রুটে সমস্যা হয়েছে। সেটা হচ্ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটের বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপারে নলকা পর্যন্ত, তবে সেটা রোববার ছিল না। শেষটা যার ভালো, সেটাই তার ভালো, শেষ পর্যন্ত মানুষ সস্তিতে ঘরে ফিরেছে। ঈদে ঘরমুখো ঈদযাত্রা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফিরতি ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক হবে।


মন্ত্রী বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সড়কের ইঞ্জিনিয়াররা, বাস মালিক-শ্রমিক সবাই সম্মিলিত ভাবে মাঠে আছে। ঈদের দিনও অনেকে রাস্তা ছাড়েনি, রাস্তায় থেকে দায়িত্ব পালন করছে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি আসুন না কেন, ভারি বর্ষণ, দুর্যোগ মোকাবেলা করে মানুষ যেন কর্মস্থালে ভালোভাবে ফিরতে পারে সে ব্যাপারেও আমরা সর্তক আছি।


তিনি তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বড় রাজাপুর গ্রামের নিজ বাড়ির দরজার মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দফতর উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ইস্কান্দার মির্জা শামীম, স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন মুন্নাসহ অনেকে।


এর আগে মন্ত্রী তার বাবা-মায়ের কবর জেয়ারত করেন এবং স্থানীয় মুসল্লি ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।  উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে প্রায় দুই মাস ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৫ মে দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। দেশে আসলেও শারীরিক কারণে তিনি নিজ গ্রামে আসতে পারেননি। অসুস্থ হওয়ার পর প্রায় পাঁচ মাস ৬ দিন পর তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন।

Comment As:

Comment (0)