পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ: মামলায় ফখরুলসহ আসামি ৫শ’

A+ A- No icon

হাইকোর্টের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। শাহবাগ থানায় করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৫শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।এসআই মতিউর রহমান বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মামলাটি করেন। মামলায় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বিএনপি নেতা ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে ২ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। 

 

উলফাতকে বিমানবন্দর থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দল। ভোর রাতে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখায়। ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল উলফাতের।শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেয়া, অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে এসআই মতিউর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

 

এতে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে। উলফাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হলে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, এ আসামি ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ঘটনার পরপরই রাতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাপর পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য এবং ঘটনার ইন্ধনদাতা ও মদদদাতাদের শনাক্ত করার জন্য আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হল। আসামিপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে ২ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। 

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে যে সমাবেশ হয় তাতে সভাপতিত্ব করেন উলফাত। পরে তার নেতৃত্বে একটি মিছিল হাইকোর্টের দিকে যাওয়ার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করেন। এ অবস্থায় হাইকোর্টের আশপাশ এলাকা অনেকটা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

Comment As:

Comment (0)