কুমিল্লা ও নোয়াখালী লকডাউন

A+ A- No icon

মহামারী রুপ নেয়া করোনা সংক্রমণ রোধে কুমিল্লা জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে জেলায় প্রবেশ ও বের হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল ফজল মীর এ কথা জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হিসেবে ডিসি জানান, করোনার সংক্রমণ রোধে জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিল্লাকে লকডাউন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জাতীয় আঞ্চলিক সড়ক-মহাসড়ক, নৌপথে অন্য কোনও জেলা থেকে কেউ কুমিল্লায় প্রবেশ এবং বের হতে পারবে না। সব ধরনের গণপরিবহন ও জনসমাগম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সব সেবা ও সরবরাহ লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে। এ পর্যন্ত কুমিল্লার দুটি উপজেলায় তিন জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। লকডাউন করা হয়েছে একাধিক বাড়ি। এছাড়াও ঢাকায় থাকা কুমিল্লার দুই জন মারা গেছে।


করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) মহামারী ঠেকাতে নোয়াখালী জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার ভোর ৬টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক-মহাসড়ক ও নৌ-পথে অন্য কোনো জেলা থেকে কেউ এ জেলায় প্রবেশ করতে কিংবা এ জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে পারবেন না। জেলার অভ্যন্তরে আন্তঃউপজেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও একই নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা, চিকিৎসা সেবা, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ ও সংগ্রহ লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে। এসব আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এদিকে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৪ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৬ জন। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ জনে। করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

Comment As:

Comment (0)