রাজশাহী সিল্কের কাহিনী

A+A- No icon

রাজশাহী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ রেশমশিল্প। এর পাশাপাশি মালদহ (নবাবগঞ্জ ও রহনপুর) এবং মুর্শিদাবাদ জেলার ভৈরব–তীরবর্তী উল্লিখিত এলাকায় উৎপাদিত রেশমপণ্যগুলোও ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী সিল্ক হিসেবেই বিদেশের বাজারে পরিচিতি পেয়ে এসেছে। কারণ, ওই এলাকাগুলো ছিল রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত।


১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, রহনপুর থানাগুলো পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। স্বাভাবিকভাবে রাজশাহী জেলার সিল্কের প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হলো মালদহ জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসা রেশম ঐতিহ্য বহনকারী থানাগুলো।


রাজশাহী জেলা প্রাচীনকাল থেকেই রেশম ও রেশমজাত পণ্য উৎপাদন এবং রপ্তানিতে ভারতবর্ষের যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় শীর্ষ স্থানে অবস্থান করে এসেছে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার বলেন, ‘রাজশাহী জেলায় রেশম সুতা প্রস্তুত এবং রেশম বস্ত্র বয়ন বহু শতাব্দী পূর্ব থেকেই হয়ে আসছে।’ মোগল আমলে শিল্পটি পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে এগিয়ে যায়।

Comment As:

Comment (0)