করোনা-কালে অ্যারোমাথেরাপির প্রয়োজনীয়তা

A+ A- No icon

এই মহামারি করোনা-কালে কেউ ভুলে যাচ্ছেন, কেউ মন খারাপ করে থাকেন সারাদিন, কেউবা কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন। আর এই সবই হচ্ছে করোনার আতঙ্কে তৈরি হওয়া মানসিক চাপের জন্য। সেই সঙ্গে করোনা ছাড়াও অন্য রোগগুলোও কম ভোগাচ্ছে না। এসব অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে অ্যারোমাথেরাপি। জানেন তো সুস্বাস্থ্য, মানসিক স্থিতিশীলতা, সজীবতা আর সৌন্দর্যের রহস্য লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতিতে- আর তা হচ্ছে অ্যারোমাথেরাপির ভেতরে। আমাদের মস্তিষ্ককেও আলাদা প্রভাব বিস্তার করে এটি। বিভিন্ন উদ্ভিদ, মশলার নির্যাস তেল (অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল) বা সুগন্ধি ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যারোমাথেরাপি করা হয়। এটি আমাদের শরীর ও মন ভালো রাখে।


অ্যারোমাথেরাপি নিলে-
•    মানসিক উদ্বেগ, ক্লান্তি ও অবসাদ দূর হয় 
•    রাতে ভালো ঘুম হয়, মন শান্ত হয় 
•    আত্মবিশ্বাস বাড়ে 
•    ত্বকের বলিরেখা দূর করে তারুণ্য ধরে রাখে। 


ঘরে যেভাবে ব্যবহার করবেন
•    কালোজিরার তেল স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করলে চুল ঘন ও লম্বা হয়  
•    বেসিল তেল ত্বকে জেল্লা এনে দেয় ও স্পর্শকাতর ত্বককে একেবারে জীবাণু মুক্ত রাখে 
•    প্রতিদিনের গোসলে ছেড়ে দিন কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি 
•    বাড়তি সুগন্ধি ব্যবহার না করেও থাকতে পারবেন সুরভিত-স্নিগ্ধ আর উচ্ছল
•    ঘুমোনোর আগে বিছানায় কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল বা চন্দন তেল ছড়িয়ে নিন। দেখবেন, চন্দনের সুবাস এক নিমেষে কেমন ক্লান্তি দূর করে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে যাবেন। 

 

করোনার এই সময়ে সবচেয়ে জরুরি একটা বিষয় আমরা জেনে গেছি। আর তা হচ্ছে মহামারি করোনার প্রাথমিক উপসর্গ খাবারের বা অন্য কিছুর ঘ্রাণ না পাওয়া। এই সমস্যার সমাধানও অ্যারোমা থেরাপি। গোলাপ, ইউক্যালিপটাস, লবঙ্গ,ও লেবুর ফুলের গন্ধ। এগুলোর ঘ্রাণ নিলে দ্রুত খাবারের গন্ধ বুঝতে পারবেন। এই ফুলগুলো না পাওয়া গেলে গন্ধ নিতে পারেন এগুলোর নির্যাস অ্যাসেন্সিয়াল অয়েলের।

Comment As:

Comment (0)