কাতার বিশ্বকাপ খেলতে চান আলভেস

A+ A- No icon

গত সপ্তাহেই ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সাও পাওলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন দানি আলভেস। তাতেই নিশ্চিত হয়, ঘরে ফিরছেন ব্রাজিলের অধিনায়ক। অপেক্ষা ছিল তাকে বরণ করে নেওয়ার। ইস্তাদিও ডু মরুম্বি স্টেডিয়ামে সেই পর্বও চুকিয়ে ফেলল ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যেখানে আলভেসকে দারুণভাবেই স্বাগত জানায় ব্রাজিলের ফুটবল অনুরাগীরা। ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার জানান, দেশের হয়ে কাতারে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপেও খেলতে চান তিনি। ব্রাজিলিয়ান আলভেসের পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল ২০০১ সালে, নিজ দেশের ক্লাব বাহিয়ার হয়ে। পরের মৌসুমেই তিনি পাড়ি জমান স্পেনে। সেভিয়ায় ছয় মৌসুম কাটানোর পথে পান উয়েফা কাপ এবং কোপা দেল রে জয়ের স্বাদ। এরপর ফুটবল বিশ্বের তৃতীয় দামি ডিফেন্ডারের তকমা গায়ে লাগিয়ে ২০০৮ সালে বার্সায় যোগ দেন আলভেস। কাতালানদের হয়ে আট মৌসুমে তিনি জেতেন ২৩টি শিরোপা। এরপর জুভেন্টাসে এক মৌসুম কাটিয়ে ফ্রি ট্রান্সফারে পিএসজিতে যোগ দেন আলভেস।

 

৩৬ বছর বয়সি আলভেসকে এক মৌসুমের বেশি ধরে রাখেনি ফরাসি ক্লাবটিও। আলভেসেরও বুঝতে বাকি নেই, প্রতিদ্বন্দ্বীমূলক প্রতিযোগিতাগুলোয় ফুরিয়ে গেছে তার চাহিদা। তাই তো দীর্ঘ ১৭ বছর পর সাও পাওলোর সঙ্গে চুক্তির মধ্য দিয়ে দেশে তিনি। ফিরেই পেলেন রাজকীয় সংবর্ধনা। ডু মরুম্বিতে আলভেসকে বরণ করে নিতে উপস্থিত ছিল ৪০ হাজার ভক্ত। আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিলের অধিনায়কের হাতে সাও পাওলোর ১০ নাম্বার জার্সি তুলে দেন ফুটবল কিংবদন্তি কাকা। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর আগে পরিধানের জন্য আলভেসকে আরও একটি জার্সি দেন লুইস ফ্যাবিয়ানো। সাবেক সতীর্থকে শুভকামনা জানাতে ভুল করেননি লুইস সুয়ারেজও। এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে (আগেই রেকর্ড করা ছিল) আলভেসকে অভিনন্দন জানান বার্সার উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড। স্বদেশি ফুটবলারকে একইভাবে স্বাগত জানায় রিয়াল মাদ্রিদের কাসেমিরো। স্টেডিয়ামে বড়পর্দায় সাবেক সতীর্থের জন্য বার্তা পাঠান বার্সা সুপারস্টার লিওনেল মেসিও। দারুণ এই সংবর্ধনা পাওয়ার কিছু সময় আগেই আলভেস কথা বলেন ব্রাজিলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

 

তিনি বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে প্রজেক্ট চাই আমি। খেলোয়াড় হিসেবে শক্তিশালী হতে হবে আমাকে, কারণ আমার সামনে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য আছে। আমার নামের সঙ্গে যা কিছু জড়িয়ে, মানুষ আমার থেকে কি প্রত্যাশা করে ব্রাজিলে ফিরে সব কঠিন বিষয়গুলো সামলে নিয়ে আমাকে একটা গল্প লিখতে হবে। আমার স্বপ্নের পথে যেকোনো ধরনের অসুবিধা থাকতে পারে। তবে আমি আবারও জোরালোভাবে বলছি, ২০২২ বিশ্বকাপ খেলাই আমার লক্ষ্য।’

Comment As:

Comment (0)