১৪০-১৫০ স্ট্রাইকরেটের ব্যাটসম্যান খুঁজতে বিপিএলে তীক্ষ্ণ নজর

A+ A- No icon

আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল গঠনে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্সের ওপর নজর রাখবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১১ ডিসেম্বর ঢাকায় শুরু হবে বঙ্গবন্ধু বিপিএল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে আয়োজিত টুর্নামেন্টটি ক্রিকেটারদেরটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার মঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

 

ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিতে বিপিএলের আগের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিসিবির সরাসরি তত্বাবধানে সাতটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সপ্তম আসরটি। বাশার সাংবাদিকদের বলেন, 'আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এ কারণেই আমরা বঙ্গবন্ধু বিপিএলের দিকে নজর রাখছি। যাতে আমরা বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলটি গঠন করতে পারি। বিপিএলে তরুণ খেলোয়াড়দের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হবে। বাদ যাবে না সিনিয়র খেলোয়াড়রাও।'

 

তিনি বলেন, 'টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৪০-১৫০ স্ট্রাইকরেটের ব্যাটসম্যানের ঘাটতি রয়েছে আমাদের। যে কারণে এই টুর্নামেন্টটির উপরই আমাদের বেশি মনোযোগ দিতে হবে। সুতরাং এবারের বিপিএল আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আরো খেলাসা করে বলতে গেলে, আমাদের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর পজিশনের জন্য বিশেষজ্ঞটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার দরকার, যারা বেশ সাবলীল স্ট্রাইক রেটের জোড়ালো ব্যাটিং দিয়ে বেশি রান আনতে পারে।'

 

সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশের থাকলেও তারা আসলে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না। এবারের বিপিএল থেকে আরো কিছুটি-টোয়েন্টি খেলোয়াড় পাবার ব্যাপারে আশাবাদী বাশার। তিনি বলেন, 'প্রতিটি বিপিএলেই আমরা কিছু খেলোয়াড় পেয়েছি। আমার বিশ্বাস এবারো এর ব্যতিক্রম ঘটবে না। আশা করি আমরা প্রয়োজনীয় খেলোয়াড় পাব।’

 

শুধু বিপিএল নয়, বাশারের মতে ইমার্জিং কাপ ও এস গেমসের মত টুর্নামেন্টকেও ভবিষ্যতের খেলোয়াড় বাছাইয়ের মঞ্চ হিসেবে মনে করছে ম্যানেজমেন্ট। নাজমুল হাসান শান্তর নেতৃত্বে এসএ গেমস খেলতে নেপাল গেছে বাংলাদেশ অনুর্ধ-২৩ পুরুষ ক্রিকেট দল। ভারত ও পাকিস্তান সেখানে ক্রিকেট দল না পাঠানোয় দলটি স্বর্ণপদক নিয়ে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। এসএ গেমসের জন্য শক্তিাশালী দল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে সামনে রেখেই নেপালের এসএ গেমসে দল পাঠানো হয়েছে। যদিও ওই ম্যাচগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বীকৃতি পাবে না।

 

জাতীয় গৌরবের বিষয় হলেও ওই আসর থেকে শুধু স্বর্ণ পদকের দিকে তারা তাকিয়ে নেই বলে জানিয়েছেন বাশার। একই সঙ্গে খেলোয়াড়দের ক্রিকেটের সামর্থ্য যাচাই কারা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন, 'খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মানসিকতার জন্য প্রতিযোগিতামুলক এই টুর্নামেন্টগুলোও খুব কার্যকরী হয়। সুতরাং আমরা যখন কোন প্রতিযোগিতামুলক টুর্নামেন্টে খেলি তখন দলের স্বার্থটাও দেখি। এসএ গেমস এই কারণে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা ওই গেমসের মাধ্যমে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি সামর্থ্যও যাচাই করতে পারব। সুতরাং শুধু পদক জয় নয়, আপনাকে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে।'

Comment As:

Comment (0)