সর্বশেষ:
বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ ভোট আরও আছে, রাহুলকে মোদীর ‘উপদেশ’ ২০৩০ সালের মধ্যে ২ কোটি চাকরি দখল করবে রোবট চাপের মুখে কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেবেন মুলার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ

দেশি ব্র্যান্ডের দাপট স্মার্টফোনের বাজারে

A+ A- No icon

ভারতের বাজার চীনা স্মার্টফোনে ভরে গেলেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি ঠিক তা নয়। এখানে দেশি ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের বিক্রি তর তর করে বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিকে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে স্মার্টফোনের বাজার ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। হংকংভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘লভ্যতার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি স্মার্টফোনের বাজার বাড়ছে।’ বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোনের বিক্রি প্রতি ত্রৈমাসিকে আগের বছরের একই ত্রৈমাসিকের তুলনায় ২৯ শতাংশ হারে বাড়ছে। বাজারের ৪১ শতাংশ তাদের দখলে। কাউন্টারপয়েন্টের গবেষক অভিষেক চৌধুরী বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি স্মার্টফোনের দাম আমদানি করা স্মার্টফোনের চেয়ে কম। এ ছাড়া স্থানীয় স্মার্টফোনের ত্রুটির পরিমাণও আগের চেয়ে কমে এসেছে।’


স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ম্যাক্সিমাসের বিক্রি জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আট গুণ বেড়েছে। ম্যাক্সিমাসের স্মার্টফোনের দাম ২ হাজার ২০০ থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে। মূলত কম দামের কারণেই তাদের এই বাড়বাড়ন্ত। বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ পাঁচ স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের দুটি হচ্ছে সিম্ফনি ও ওয়ালটন। এগুলো দেশীয় ব্র্যান্ড। তুলনায় দেখা যায়, ভারতের কোনো স্থানীয় ব্র্যান্ড দেশটির শীর্ষ পাঁচ ব্র্যান্ডের তালিকায় উঠতে পারেনি।


তবে তার মানে এই নয় যে বাংলাদেশের বাজারে বিদেশি ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে না। বাংলাদেশের বাজারে কোরীয় স্মার্টফোন কোম্পানি স্যামসাংয়ের বিক্রি চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিকে তিন গুণের বেশি বেড়েছে। ফলে এই প্রথম তারা দেশের বাজারে শীর্ষ স্মার্টফোনের তকমা পেয়েছে। এই জায়গায় আসতে তারা আগের শীর্ষ ব্র্যান্ড সিম্ফনিকে প্রায় ৮ শতাংশ পেছনে ফেলে দিয়েছে।

Comment As:

Comment (0)