৬ নভেম্বর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জনশক্তি রপ্তানির সিদ্ধান্ত

A+ A- No icon

নতুন পদ্ধতিতে শ্রমবাজার চালুর ইস্যুতে ৬ নভেম্বর আবারও আলোচনায় বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল। ২৪ সেপ্টেম্বর দু'দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বাতিলের পর নতুন এ তারিখ ঘোষণা করা হয়। তবে কেনো পূর্ব নির্ধারিত ২৪ সেপ্টেম্বরের আলোচনা স্থগিত করা হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে মন্তব্য না করে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান বলেন, ৬ নভেম্বরের আলোচনায় আমরা শ্রমবাজার ইস্যুতে অগ্রসর হতে চাই। উল্লেখ্য, দশ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে গেলো বছরের ১ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনলাইন পদ্ধতি এসপিপিএ বাতিল করে দেশটির সরকার। এরপর গেলো বছরের ৩১ অক্টোবর ঢাকায় চলতি বছরের ১৪ মে পুত্রজায়ায় এবং ২৯ ও ৩০ মে কুয়ালালামপুরে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠকে জনশক্তি রপ্তানির দুয়ার উন্মোচিত হওয়ার সিদ্ধান্ত আসেনি।


এসপিপিএ প্রক্রিয়া বাতিলের সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডক্টর মোহাম্মদ মাহাথির বলেছিলেন, নেপাল ও বাংলাদেশ থেকে একই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক আনা হবে। এরই মধ্যে নেপাল থেকে শ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে গেলো মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। নতুন এ প্রক্রিয়ায় শুধু বিমানভাড়া ও মেডিকেল খরচ দিয়ে মালয়েশিয়া আসতে পারবে নেপালিরা। তবে বাংলাদেশ ইস্যুতে এখনও কেনো কোনো সিদ্ধান্ত আসছে না এ নিয়ে প্রবাসীদের মাঝে রয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় আছেন এমন প্রবাসীরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি বড় ধরনের একটি ব্যবসা হয়ে উঠেছে। মালয়েশিয়া সরকার চায় কম খরচে শ্রমিক আনতে। আর সক্রিয় কয়েকটি চক্র কাজ করছে আবারো সিন্ডিকেট করার। হয়তো এ কারণেই শ্রমবাজার আলোর মুখ দেখছে না। 


৬ নভেম্বরের আলোচনায় মূলত গুরুত্ব পাবে কোন পদ্ধতিতে কর্মী নেয়া হবে, অভিবাসন ব্যয় কত, কতগুলো রিক্রুটিং এজেন্সি কাজ করতে পারবে, নিয়োগদাতাদের জবাবদিহিতা, শ্রমিকদের বেতন, চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয়। তবে বিভিন্ন মাধ্যম বলছে দুই দেশের এই বৈঠকেই উন্মুক্ত হবে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি। এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত বৈঠকে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে মন্ত্রী ইমরান আহমদের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

Comment As:

Comment (0)